মেলা বসানো নিয়ে আ.লীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:৪২ এএম

বগুড়ার শেরপুরে বারুনী মেলা বসানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আ.লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ মেলা আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকায় এখন থমথমে অবস্থা। আজ বুধবার থেকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের গাড়ীদহে দুদিনব্যাপী এ মেলা বসানোর কথা রয়েছে।

ঐতিহ্য অনুযায়ী এ বছর রোজার প্রথম সপ্তাহে মেলাটি হওয়ার কথা থাকলেও রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় যথাসময়ে মেলাটি বসানো হয়নি। ফলে ঈদ-পরবর্তী মেলা আয়োজন করতে গাড়ীদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (পশ্চিম) শাখার সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। আবেদন দিয়েই তিনি মাইকযোগে মেলার প্রচার-প্রচারণা চালানো শুরু করেন। এককভাবে মেলা আয়োজনের প্রচারণা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন গাড়ীদহ ইউনিয়ন (পূর্ব) শাখার সভাপতি রুবেল আহম্মেদ ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা। তারাও মেলা বসানোর অনুমতি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত আবেদন করেন।

গাড়ীদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (পশ্চিম) শাখার সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, ‘মেলাটি তাদের এলাকার ঐতিহ্য। তাই মেলা বসানোর অনুমতি চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি। অনুমতি পেলে বারুনী মেলা বসানো হবে।’

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের গাড়ীদহ ইউনিয়ন (পূর্ব) শাখার সভাপতি রুবেল আহম্মেদ বলেন, বুধবার (আজ) সেখানে আমাদের মেলা বসবে। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আমাদের পক্ষ থেকে মাইকযোগে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। তাই কোনো অপশক্তি এই বারুনী মেলা ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার গতকাল বলেন, ‘এখনো মেলার অনুমতি পায়নি। যেহেতু কোনো পক্ষই মেলার অনুমতি পায়নি, তাই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা বলেন, ‘আমার দপ্তর থেকে কোনো মেলার অনুমতি দেওয়া হয় না। এটি সম্পূর্ণ জেলা প্রশাসনের এখতিয়ার।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত