খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তরচক আমিনীয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির প্রতিনিধি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে বাড়িতে আটকে রেখে মারধর ও নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজে জোর করে সই নেওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যানসহ চার আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন ওই মাদ্রসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ওই মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মাসুদুর রহমান, মাওলানা মুজিবর রহমান ও রাসেল হোসেন। শুনানি শেষে জামিন না মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আজহারুল ইসলাম। প্রসঙ্গত, গত ৫ মে কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ বিধি অনুযায়ী সেখানে নজরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন। লিখিত পরীক্ষায় কোনো প্রার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ার পরও মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমানকে নিয়োগ দিতে চাপ সৃষ্টি করেন ওই চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ।
পরে ফেরার পথে ড. নজরুলকে গাড়ি থেকে নামিয়ে টাকা, ঘড়ি, মোবাইল ছিনিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়িতে নিয়ে মারধর করে জোর করে নিয়োগের কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
