গর্ভকালীন সময়ে জরুরি ও করণীয় প্রথম ধাপ হচ্ছে আলট্রাসনোগ্রাম। এই পুরো প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডটাকে চিকিৎসকরা চিকিৎসার সুবিধার্থে তিন ভাগে ভাগ করে থাকেন।
1st Trimester 2nd Trimester 3rd Trimester
প্রথম তিন মাসে যেসব জটিলতা
হাইপার ইমেসি গ্রাভিডেরাম : গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস বমি হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু এই বমি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে হয় তখন এ অবস্থাকে বলা হয় হাইপার ইমেসিস গ্রাডেরাম। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা এতই খারাপ হয় যে, হাসপাতালে ভর্তি করে স্যালাইন দিতে হয়। সে জন্যই অতিরিক্ত বমি হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
জরায়ুর বাইরে ভ্রুণের অবস্থান : জরায়ুর বাইরে ভ্রুণের প্রতিস্থাপন হওয়াকে ECTOPIC PRAGNANCY বলে। জরায়ুর বাইরে কোনো কোনো জায়গায় এই প্রেগন্যান্সি হতে পারে? জরায়ুর দুই পাশে দুটি টিউব বা ওভারি এসব জায়গায় ভ্রুণের প্রতিস্থাপন ঘটলে মারাত্মক দুর্ঘটনা হতে পারে। এমনকি জরায়ুর মুখে (Cervix) এবং Previous Cesarian Scar (জরায়ুতে পূর্বের সিজারের কাটা স্থানে যে মার্ক) সেখানেও এই ইকটপিক প্রেগন্যান্সি হতে পারে।
উপসর্গ : ইকটপিক প্রেগন্যান্সিতে স্বাভাবিক প্রেগন্যান্সির মতো পিরিয়ড বন্ধ থাকে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে Spotting হতে পারে। বমি এবং মাথা ঘোরানো ও তলপেটে তীব্র ব্যথা থাকবে। এই ব্যথাই হলো বিপদের পূর্বাভাস।
গর্ভপাত : চিকিৎসকরা Abortion-কে অনেক ভাগে ভাগ করেছেন। সব গর্ভপাতের প্রাথমিক উপসর্গ হলো তলপেটে ব্যথা ও রক্তক্ষরণ হওয়া।
পরীক্ষা কখন : আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব গর্ভপাতের ধরন সম্পর্কে। যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে গাইনোকলজিস্ট চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে কখনো ভ্রুণের হার্টবিট অনুপস্থিত থাকে, কখনো বা জরায়ুর ভেতর ভ্রুণ এবং রক্ত জমা থাকে আবার কখনো শুধু গর্ভফুলের কিছু অংশ রয়ে যায়। আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে জানা যায়। প্রেগন্যান্সির ৬ সপ্তাহের মধ্যে প্রথম আলট্রাসাউন্ড করে জেনে নিন আপনার গর্ভে ভ্রুণের অস্তিত্ব সম্পর্কে, উপলব্ধি করতে পারবেন।
