আগামী ৫ জুলাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগী ভর্তি ও অস্ত্রোপচার (ওটি) কাজ শুরু হবে। হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও বাজেট অনুমোদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সেদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক চালুর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
গতকাল সোমবার সিন্ডিকেটের ৯০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ও বাজেট উপস্থাপন করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।
সভায় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দেরিতে চালুর জন্য মূলত যথাসময়ে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না আসার বিষয়টি সিন্ডিকেটে তুলে ধরা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছিলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত যন্ত্রপাতি চলে আসবে এবং সে অনুসারেই প্রধানমন্ত্রী কর্র্তৃক এই হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু ডায়ালাইসিস মেশিন, অ্যানেসথেশিয়া মেশিন, এইচআইএস, আর্থোস্কপিক মেশিনসহ কিছু জরুরি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি না পাওয়ার কারণেই মূলত হাসপাতালের আন্তঃবিভাগ চালু করতে দেরি হয়। তবে ইতিমধ্যে এই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার রোগী সেবা নিয়েছেন এবং এমআরআই, সিটি স্ক্যান, বিএমডিসহ প্রায় ৪০ হাজার টেস্ট করা হয়েছে।
এর আগে আগামী ১ জুলাই পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু করতে বিএসএমএমইউ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। গত ৩ মে প্রধানমন্ত্রীর সচিবের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। পরে গত ১৯ মে বিএসএমএমইউ উপাচার্য দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছিলেন, গত ২৫ মে এই হাসপাতাল চালু হবে। সর্বশেষ ৫ জুলাই চালুর সিদ্ধান্ত হলো। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও বিএসএমএমইউ কর্র্তৃপক্ষ আরও কয়েকবার চালুর তারিখ ঘোষণা করেছিলেন।
