প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপিকে সামাল দেওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। যদিও বিএনপির ঢাকার রাজপথ দখলে নিতে চাওয়ার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ে তারা চিন্তিত নন বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, তারা বিএনপিকে সামাল দেওয়ার সুযোগ হাতে পেতে চান। এজন্য বিএনপির কর্মসূচি পালনে আগের মতো বাধা দেওয়ার কৌশলও আপাতত নেই ক্ষমতাসীনদের। তবে বিএনপির কর্মসূচিতে তাদের কড়া নজর রয়েছে।
বিস্তারিত— সামলানোর চ্যালেঞ্জে আত্মবিশ্বাসী আ.লীগ
সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ের চূড়ান্ত আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এসব দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করছে। তারা মনে করছে, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাদের দাবির সঙ্গে না মিললে আরও কয়েকটি দল জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি তুলেছে। ফলে রাজনীতিতে এক ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে। বিএনপি নেতারা মনে করছেন, সরকার এবার বিদেশি চাপেও পর্যুদস্ত। ফলে তাদের আন্দোলন সফল হওয়ার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সরকার হটানোর লক্ষ্যে বিএনপি সমমনা দলগুলো ছাড়াও আলাদাভাবে সরকারবিরোধী অবস্থানে থাকা দলগুলোকে কাছে টেনে শক্তি বাড়াতে চায়। পাশাপাশি বিদেশিদের দেখাতে চায় সরকার ও তার মিত্র কিছু দল ছাড়া বাকিরা দলটির সঙ্গে আছে।
বিস্তারিত— সাফল্যের সুযোগ দেখছে বিএনপি
আগামীকাল বৃহস্পতিবারের আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি নিয়ে জনমনে অস্বস্তি আছে, আশঙ্কা নেই। আশঙ্কা আছে সম্ভবত মিডিয়াতে, তেমনই দেখা যাচ্ছে। সাধারণ জনগণ হাট-বাজারে ঘুরেফিরে বসে যেসব আড্ডা-গল্প কথাবার্তা বলছে, তাতে তো আশঙ্কা মনে হয় না। আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরস্পরবিরোধী অবস্থান ও সর্বশেষ এক দফা পাল্টাপাল্টি ঘোষণায় এক ধরনের অস্থির অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে- অনেকের মনে এমন দুশ্চিন্তা থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. শান্তনু মজুমদার সেটা মনে করছেন না। অভিমত জানিয়ে দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেছেন, হ্যাঁ, একটা অস্বস্তি আছে। বিশেষ করে যে জনদুর্ভোগ তৈরি হয় সে ব্যাপারে সাধারণের মধ্যে বিরক্তি আছে।
বিস্তারিত— শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষই সমঝোতায় আসতে পারে
