হাজারো হাফেজ এক বৈঠকে পুরো কোরআন শোনালেন

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৩, ১২:৪২ এএম

পবিত্র কোরআন হেফজ (মুখস্থ) সম্পন্ন করার পর তা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শোনানোর নিয়ম আছে। হেফজ প্রতিষ্ঠানের অনেকে এক বসায় (বৈঠকে) তা শুনিয়ে থাকেন। সম্প্রতি ফিলিস্তিনের গাজা অঞ্চলের দুটি মসজিদে ‘সাফওয়াতুল হুফফাজ’ প্রকল্পের কোরআন পাঠ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এর একটি মসজিদে ছেলে ও অন্যটিতে মেয়েরা পবিত্র কোরআন শোনান। পুরো কোরআন শোনাতে তাদের প্রায় সাত থেকে আট ঘণ্টা সময় লাগে। গাজার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দারুল কোরআন আল করিম ওয়াস সুন্নাহ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ১৪৭১ জন কোরআনের হাফেজ অংশ নেন। তারা এক বৈঠকে পুরো কোরআন মাজিদ মুখস্থ শুনিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশু থেকে সব বয়সী হাফেজদের ছবি নজর কাড়ে সবার।

দারুল কোরআন আল করিম ওয়াস সুন্নাহর প্রধান বিলাল ইমাদ জানিয়েছেন, কোরআন মাজিদ শোনানোর এ পর্বে ফিলিস্তিনের নানা বয়সী হাফেজরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে শিক্ষক, চিকিৎসক, সেনা কর্মকর্তাসহ নানা পেশার নারী ও পুরুষ আছেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আট বছর বয়সী হাফেজ যেমন আছে, তেমনি ৭২ বছর বয়সী বৃদ্ধও আছেন।

বিলাল ইমাদ আরও বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো পবিত্র কোরআন শুনানি পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তা বাস্তবায়িত হয়। এবার ২৬ জন শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং ১৬৩ শিক্ষক ও শিক্ষিকা, ৩৪ নিরাপত্তাকর্মী, ৯০ চিকিৎসাকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন।

দারুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ গাজা এলাকার একটি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ১৯৯২ সালে সব বয়সীদের মধ্যে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা প্রসারে তা প্রতিষ্ঠিত হয়। কাতারসহ বেশ কিছু দেশ গাজা এলাকার শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় এ প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করে থাকে।

গত বছর প্রথমবারের মতো সংস্থাটি এক বৈঠকে কোরআন শোনানোর আয়োজন করে। তাতে ৫৮১ হাফেজ অংশ নিয়েছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত