মন্ত্রণালয় চালাতে গিয়ে মাঝে মাঝেই ধাক্কা খেয়েছি: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৩, ০৩:৫৯ পিএম

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, আমার মনে হয়, আমরা এই মন্ত্রণালয় চালাতে গিয়ে মাঝে মাঝেই ধাক্কা খেয়েছি। চাউল আছে, মজুদ আছে, প্রচুর আছে, অথচ প্রতিদিন বাজারে দাম বাড়ছে। অনেক গ্রুপ এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়েছে। আমরা থামিনি। বড় বড় গ্রুপের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। মামলা চলমান আছে।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে নোয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমি মামলার ভয় দেখাচ্ছি না। যারা ধান চালের ব্যবসা করে, এটাও একটা সেবা। মানুষের পেটের খাবার আপনার কাছে মজুদ করে রেখে, আরেকজনের পেটে কষ্ট দেওয়া— এটা আল্লাহর তরফ থেকে আপনি ভালো সওয়াব পাবেন না। অতএব আপনাদের ব্যবসা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। মানুষের দিকটাও দেখতে হবে। কেউ দয়া করে মজুদ করবেন না।

মন্ত্রী বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, যারা অতীতে কিছু দিতে পারেনি, তারা কোনো দিন দিতে পারবে না। তারা করোনার সময় বলেছিল ২ লাখ লোক না খেয়ে মারা যাবে। কিন্ত একজনও না খেয়ে মারা যায়নি, বরং রিলিফে রিলিফে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপর কিছুদিন আগেও বলেছিল, দুর্ভিক্ষ হবে, কিন্ত হচ্ছে না। অতএব, তারা সবসময় মিথ্যা কথাই বলবে। সে দিকে কান না দিয়ে উন্নয়নের ধারাটা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেন।

মন্ত্রী মিল মালিকদের লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের নতুন আইন হয়েছে, আইনটা যেমন সৎ ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই ভালো আবার অসৎ ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই খারাপ।

এ সময় জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী, নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদ উল্যাহ খান প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত