বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নারী বিয়ের রাতে বরের মৃত্যু

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৩, ১২:০৭ এএম

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিয়ের রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পর রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে গতকাল শুক্রবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুই নারী মারা গেছেন।

গোদাগাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম মো. শাকিল (২৪)। তিনি উপজেলার খারিজাগাতি মোল্লাপাড়া গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে। শাকিল পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বিদিরপুর গ্রামের বুলবুল হোসেনের মেয়ে আসমা খাতুনের সঙ্গে শাকিলের বিয়ে হয়। দুপুরে কনের বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বিকেলে বরপক্ষ কনে নিয়ে আসেন। বিয়ে উপলক্ষে শাকিলদের বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। সন্ধ্যার পর শাকিল নিজেই বাড়ির আলোকসজ্জার বাতিগুলো জ¦ালিয়ে দেন।

আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তার লিকেজ হয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল বাড়ির বারান্দার গ্রিল। রাত ৮টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বারান্দার গ্রিলে হাত দেন। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল শাকিলের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া দুই নারী হলেন তুষভা-ার ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘনেশ্যাম (টেপাটারি) এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৪২) ও একাব্বর মিয়ার স্ত্রী নিলুফা বেগম (৩৮)। গতকাল দুপুর ২টার দিকে টেপাটারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

দুই ভাই বাবলু মিয়া ও একাব্বর মিয়া একই বাড়িতে বসবাস করেন। দুপুরে বাবলু মিয়ার স্ত্রী ফিরোজা বেগম গোসল করতে গেলে গোসলখানার টিনের বেঁড়ায় থাকা বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গোসলখানায় লুটিয়ে পড়েন। নিলুফা এসে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লুটিয়ে পড়েন। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই তারা মারা যান।

তুষভা-ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম আহমেদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওই দুই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত