দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘সরকারের জনপ্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা সুদৃঢ় করে নির্বাচনের যে উদ্দেশ্য অর্থাৎ অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনের ফলাফল কীভাবে উঠে আসবে সেটা নিয়েও আলোচনা করা হবে।’
গতকাল শনিবার মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন সিইসি।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা বারবার করে বলেছি যে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক বলতে আমরা জানি যে, ভোটাররা ব্যাপক সংখ্যায় আসবে। এ বিষয়ে আপনাদের যে দায়িত্ব রয়েছে সেটা আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চেষ্টা করব। আপনাদের যে দায়িত্ব থাকবে সেটা যেন প্রতিপালিত হয়, সে বিষয়ে আমাদের দিক থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে।’
সিইসি বলেন, ‘আমরা বারবার ব্যক্ত করেছি যে, আগামী সাধারণ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর হয় সেই লক্ষ্যে আমাদের প্রয়াসের কোনোরকম ঘাটতি থাকবে না। আমাদের আন্তরিকতায় বিন্দুমাত্র ঘাটতি থাকবে না।’
ইসি প্রধান বলেন, ‘আপনাদের অভিজ্ঞতাগুলো আমরা শুনতে চাই। নির্বাচনের প্রস্তুতি কতটা হয়েছে, কোনোরকম ঘাটতি রয়েছে কি না সে বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করব।’
মতবিনিময় সভা শেষে ইসির অতিরিক্ত সচিব এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ৬৪ জেলা ও ১০টি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে সংসদ নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে। এটা মূলত প্রাথমিক সভা। কিছু জানতে চাওয়া হয়েছে, কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূলত ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, তাদের সুনির্দিষ্ট সমস্যা রয়েছে কি না, একেক অঞ্চলে একেক সমস্যা থাকতে পারে। সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে। যেমন পার্বত্য অঞ্চলে কিছু কেন্দ্র আছে এরকম সব জায়গায় কিছু কিছু নির্দিষ্ট সমস্যা আছে, তা অবহিত হয়েছেন কমিশন।
