পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সরকার যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি। কিন্তু আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা চ্যালেঞ্জ নিতে চাই এবং আমরা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছি।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাফল্যের গল্প’ শীর্ষক প্রকাশনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একা সফলতা অর্জন করা যায় না, এর জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জনের কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি দুটি অসমাপ্ত কাজের কথাও উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো- রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের বাকি খুনিদের ফিরিয়ে আনা।
শাহরিয়ার বলেন, এই দুটি কাজ খুবই জটিল ও চ্যালেঞ্জিং। বাংলাদেশ অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গেছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বেড়েছে এবং অনেক দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়তে ইচ্ছুক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওপর পরাশক্তিগুলোর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে। আমরা আমাদের বন্ধুত্বের বৈচিত্র্য দেখেছি। বাংলাদেশ স্মার্টভাবে ভারসাম্য রক্ষা করছে।
বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের (বিইআই) বিশিষ্ট ফেলো ফারুক সোবহান বলেন, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি শক্তিশালী হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, ড. খলিকুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ও কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন প্রমুখ।