কুমিল্লায় হামলায় আহত চিকিৎসকের মৃত্যু, মামলা

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৩৬ এএম

কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জহিরুল হক মারা গেছেন। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনার দিন রাতেই ডা. জহিরুল হকের স্ত্রী ফারহানা আফরিন হিমি বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

আসামিরা হলেন, সালাউদ্দিন মোর্শেদ ভূঁইয়া ওরফে পাপ্পু, তার স্ত্রী সুমী, ছেলে আরহাম ও আহনাফ এবং সিলভার ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ। মামলার বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আহমেদ সনজুর মোর্শেদ বলেন, ‘পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রধান আসামি ঘাতক পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে।’

ডা. জহিরুল হকের স্বজনরা জানান, গত শনিবার কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় শাপলা টাওয়ারে পরিচালনা কমিটি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে ডা. জহির ও তার স্ত্রী হিমিকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ ঘটনায় ডা. জহিরকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

স্থানীয়রা জানান, একই ভবনে থাকেন ডা. জহিরুল হক দম্পতি ও সালাহউদ্দিন মাহমুদ পাপ্পু। ভবনটির পরিচালনা ও কমিটি নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। এরই সূত্র ধরে শনিবার ডা. জহিরুল হক এর ওপর হামলা করে পাপ্পু। ডা. জহিরের স্ত্রী হিমির বড় ভাই কাজী শরিফ বলেন, রেসকোর্সে শাপলা টাওয়ারের পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে একদল লোক এসে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় ডা. জহির গুরুতর আহত হয়। এদিকে দোষীদের বিচার দাবি করেছেন চিকিৎসকদের সংগঠন বিএমএ কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসীম, স্বাচি কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ডা. মোরশেদুল আলম, বিএমপিএর সভাপতি ডা. একেএম আবদুস সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক ডা. তৌফিকুন্নবী খান লিটন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত