একাদশে ফিরেই ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন ফখর জামান। বাংলাদেশের বিপক্ষে রান তাড়ায় শুরুতে ধীরলয়ে এগোলেও পরে বাড়ান দ্রুত রান। এক পর্যায়ে সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও জাগান পাকিস্তান ওপেনার। কিন্তু তার নজর তিন অঙ্কে ছিল না। ম্যাচ শেষে বললেন, দ্রুত দলকে জিতিয়ে রানরেট বাড়িয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।
কলকাতায় গতকাল বাংলাদেশের ২০৪ রান ১০৫ বল বাকি থাকতেই টপকে যায় পাকিস্তান। ওয়ানডেতে এ নিয়ে চতুর্থবার ১০০ বা এর চেয়ে বেশি বল হাতে রেখে জিতল দলটি। পাকিস্তানের ৭ উইকেটে এই জয় বড় অবদান রাখেন ফখর। ৭ ছক্কা ও ৩ চারে ৭৪ বলে ৮১ রান করেন তিনি। যেভাবে ব্যাটিং করছিলেন এই বাঁহাতি, টিকে থাকলে ৩০ ওভারের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে যেত পাকিস্তান।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের পরই পাকিস্তান দল থেকে বাদ পড়েন ফর্মের খোঁজে থাকা ফখর। বেঞ্চে বসে দেখেছেন ৫ ম্যাচ। ইমাম উল হকের ব্যর্থতায় তার দুয়ার খুলে যায়। সুযোগ কাজে লাগান তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে নেমে।
বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশ ম্যাচ তো বটেই, পরের লড়াইগুলোতেও জিততে হবে পাকিস্তানকে। সঙ্গে অন্য দলগুলোর ফলও আসতে হবে তাদের পক্ষে। আর রানরেটের বিষয় তো আছেই।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ফখরও জানিয়েছেন, শতক নয়, তাঁর উদ্দেশ্যে ছিল ২৮-২৯ ওভারের মধ্যে খেলা শেষ করা, ‘আমরা যে পরিস্থিতিতে আছি, এ অবস্থায় ম্যাচটা ২৮-২৯ ওভারে শেষ করতে চেয়েছি। তাই আক্রমণাত্মক ছিলাম। এমনিতে আমার জন্য ১০০ করা খুব সহজ ছিল। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ছিল দ্রুত রান তাড়া করা।’
ফখর কাল শুরুটা করেছেন রয়েসয়ে। মেডেনও দিয়েছেন এক ওভার। পরে তাসকিন আহমেদের বলে বিশাল ছক্কা মেরে তাঁর আক্রমণাত্মক খেলার শুরু। নিজের ইনিংস এমন পরিকল্পনাতেই সাজিয়েছিলেন ফখর।
ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে গিয়ে বলেছেন, ‘আবদুল্লাহকে (আবদুল্লাহ শফিক) বলছিলাম, আমি প্রথম চার ওভার দেখব। এরপর পিচ যেমন আচরণ করুক না কেন, আমি ছক্কা মারব। আমার ভূমিকা সম্পর্কে আমি অবগত। জানি, আমি পারব।’
