ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ভয়াবহ এই হামলায় জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা দুই শতাধিক বলা হলেও আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে নিহতের সংখ্যা কয়েক ডজন। আহত হয়েছেন কয়েকশ ব্যক্তি। হতাহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
গাজার ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. আতেফ আল-কাহলুত আল জাজিরাকে জানান, ইসরায়েলি হামলায় ৫০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। তবে হাসপাতাল এখনও নিহতের মোট সংখ্যা নির্ণয় করতে পারেনি কারণ এটি এখনও নিহতদের সংখ্যা গণনা করছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়াদ আল-বাজুম জানান, মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) রাতে আবাসিক ভবনগুলো লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েল। বোমাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, এই ভবনগুলোতে শত শত শরণার্থী বাস করত। ছয়টি মার্কিন বোমার হামলায় ভবনগুলো একদম গুঁড়িয়ে গিয়েছে। এটি গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সবচেয়ে বড় হত্যাযজ্ঞ বলে জানান বাজুম।
এদিকে চিকিৎসা সংস্থা এমএফএস জানিয়েছে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিশুরা।
সংস্থাটির নার্স মোহাম্মদ হাওয়াজরেহ জানান, ছোট শিশুরা গভীর ক্ষত এবং গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে এসেছে। অনেক শিশু আবার পরিবার থেকে ছিন্ন অবস্থায় ছিল।
এদিকে এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের বর্বর এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। এতে বলা হয়েছে, শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে তারা।
