গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। দিন যত যাচ্ছে ততই ভয়াবহ ও তীব্র বোমা হামলা করছে দেশটি।
এমন পরিস্থিতিতে গাজায় স্কুল, আশ্রয়কেন্দ্র, হাসপাতাল এলাকা এবং অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে ভারী বোমাবর্ষণ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। খবর আল জাজিরা।
গাজার উত্তরাঞ্চলীয় আল সাফতাউয়ি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়শিবির হিসেবে ব্যবহৃত এক বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই আহত হয়েছে।
শনিবার ভোরে গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস–নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব তথ্য জানিয়েছে। হামাস জানায়, ‘বিদ্যালয়টিকে লক্ষ্য করে ট্যাংক থেকে সরাসরি কয়েকটি গোলা ছুড়ে ইসরায়েলি বাহিনী।‘
তবে এ হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের এক স্কুলে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বাস্তুচ্যুত লোকদের আশ্রয় দেওয়া আল-ফাখুরা স্কুলে ইসরায়েলি বোমা হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এদিকে আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক জানিয়েছেন, এ আশ্রয়কেন্দ্রে হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।
আল জাজিরা বলছে, জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে এটি তৃতীয় বড় হামলা।
এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে গাজায় আল-শিফা হাসপাতালের গেটে অ্যাম্বুলেন্সের বহরের ওপর হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ১৫ জন নিহত এবং ৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়।
