পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো নাশকতামূলক ও সহিংস অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।
গতকাল রবিবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন নিরাপদে চলাচলসংক্রান্ত এক সভায় সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।
দেশে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ বজায় রাখা এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মালিক, শ্রমিক ও যাত্রী সাধারণকে নিয়ে জনমত গঠনের জন্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান আইজিপি। তিনি অবরোধ চলাকালে মহাসড়কে যানবাহনের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে বলে জানান।
সভায় স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. আতিকুল ইসলাম, হাইওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মো. শাহাবুদ্দিন খাঁন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিআইজি (অপারেশন) আনোয়ার হোসেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শ্রী রমেশ চন্দ্র ঘোষ, সেক্রেটারি জেনারেল আবু রায়হানসহ শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, সিএমপি, কেএমপি, আরএমপি, বিএমপি, এসএমপি, জিএমপি, আরপিএমপি কমিশনার এবং ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশপ্রধান প্রয়োজনে সহযোগিতার জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করতে পরিবহনশ্রমিক ও চালকদের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সবাই মিলে একযোগে একসাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতেও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত যেকোনো চ্যালেঞ্জ ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে আমরা প্রস্তুত।’
