জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনির বিরুদ্ধে সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বিভাগের এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে গঠিত অধিকতর তদন্ত কমিটির বেগবান করে দ্রুত বিচার করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।
একই সঙ্গে ২০ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে সাংবাদিক আসিফ আল মামুনকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিচার করা, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করে ইচ্ছেমতো গাছ কাটা বন্ধ করাসহ গেল জুনে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি সৌমিক বাগচীর ওপর হামলার অভিযোগে চিহ্নিতদের বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় এসব দাবি উত্থাপিত না হলে ওইদিনই অবস্থান কর্মসূচি পালনসহ প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ছাত্র ফ্রন্টের জাবি শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কনৌজ কান্তি রায় বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের কাজকর্মে সুবিধাবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বারবার তদন্ত কমিটি গঠন করেও বিচার করছে না। সাংবাদিকের ওপর হামলার বিচার করছে না। সংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীকে মারধরের বিচারের আশ্বাস দিয়েও বিচার করছে না। প্রশাসনের এই স্বেচ্ছাচারিতা আমরা সহ্য করব না।
