চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন সাকিব আল হাসান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে না পাওয়া বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় ধাক্কা। প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বলেছেন, সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নেতৃত্বও মিস করবেন তিনি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব। বল হাতে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে করেছিলেন ৬৫ বলে ৮২ রান। এতে বাংলাদেশও পেয়েছিল আরাধ্য জয়। সম্ভাবনা জাগিয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার।
ওই ম্যাচেই আঙুলে চোট পেয়ে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায় সাকিবের। এরই মধ্যে দেশেও ফিরে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। চলতি বিশ্বকাপে এবারই প্রথম সাকিব চোটে পড়েননি। এর আগে চোটের কারণে ভারতের বিপক্ষেও খেলতে পারেননি। সেবার ছিল ঊরুর চোট। এবার সাকিব চোট পেয়েছেন বাঁ হাতের আঙুলে। ব্যাটিং করার সময়ে বাঁ হাতের আঙুলে চোট পাওয়ার পর এক্স-রেতে সাকিবের আঙুলে চিড় ধরা পড়ে।
সাকিবকে ছাড়া একাদশ সাজানো কতটা কঠিন, সেই প্রশ্নের উত্তরে সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুসিংহে বলেছেন, ‘সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে হারানো সত্যি বড় দুশ্চিন্তার। সে সেরা অলরাউন্ডার। একজনের মধ্যে দুজনকে পাওয়া যায়। সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে ছাড়া দলের কম্বিনেশন করা সত্যি কঠিন। দীর্ঘদিন ধরেই সে আমাদের সেরা পারফরমার। আমরা অবশ্যই তার স্পিন বোলিংটা মিস করবো। একই সঙ্গে তার ব্যাটিং ও তার নেতৃত্ব আমরা মিস করবো। সুতরাং আসলেই কাজটা কঠিন।’
পুরো বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল যাচ্ছেতাই। ৮ ম্যাচ খেলে এখন পর্যন্ত জিতেছে মাত্র দুই ম্যাচে। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচও মনে করছেন প্রত্যাশা মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে দল, ‘এমন পারফরম্যান্স হতাশার। আমরা প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারিনি।’
সাকিবের বদলি হিসেবে নেওয়া হয়েছে এনামুল হক বিজয়কে। তবে আগামীকাল এই ব্যাটসম্যানের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি হাথুরুসিংহে।
‘স্বস্তির সুযোগ নেই। যখন আমি আমার অধিনায়ককে হারাই, তখন স্বস্তি খুঁজে নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে এটা ঠিক বিকল্প হিসেবে বিজয়ের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে পাওয়া অবশ্যই ভালো দিক। তার ১ থেকে ১৫-র মধ্যে খেলার সুযোগ আছে আগামীকাল।’
