উত্তর কোরিয়া থেকে হামাসের মতো হামলার শঙ্কা দক্ষিণ কোরিয়ার  

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:২৮ পিএম

হামাস যেভাবে ইসরায়েলে আক্রমণ করেছে, সেই একই কৌশলে দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ করতে পারে প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়া। গত রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক-ইওলের বাসভবনে এক নৈশভোজে অংশ নিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। এসময় দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট মার্কিন মন্ত্রীকে বলেন, হামাস যেভাবে ইসরায়েলে আক্রমণ করেছে, সেই একই কৌশলে তার দেশে আক্রমণ করতে পারে প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়া। এ বিষয়ে তাদের আরও সজাগ থাকা দরকার।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই এর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলার তুলনা টানার চেষ্টা করছেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদ ও প্রতিরক্ষাপ্রধানরা। গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যানও বলেছিলেন, পিয়ংইয়ং যদি ভবিষ্যতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তাহলে তারা হামাসের আক্রমণের অনুরূপ প্যাটার্ন অনুসরণ করতে পারে। এ বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ হাতে থাকার দাবি করেছে সিউল।

উত্তর কোরিয়া মাত্র এক ঘণ্টায় ১৬ হাজার রকেট ছুড়তে সক্ষম। এই হুমকি মাথায় রেখে ইসরায়েলের আয়রন ডোমের অনুকরণে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে দক্ষিণ কোরিয়া।

এছাড়া, গাজায় হামাস যেভাবে মাটির নিচে টানেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, উত্তর কোরিয়াও সীমান্তের ডিমিলিটারাইজড জোনে (ডিএমজেড) বেশ কিছু টানেল তৈরি করেছে। সম্ভাব্য আক্রমণের সময় ব্যবহারের জন্য এসব টানেলে অস্ত্র-গোলাবারুদ মজুত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

কিন্তু এরপরও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়া কি সত্যিই একই ধরনের হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে? নাকি এটি দক্ষিণ কোরীয় সরকারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার এবং উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার অজুহাত মাত্র?

 

 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত