জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে জরুরি ব্যবস্থা নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৬, ০১:০৪ পিএম

বিশ্ববাজারে জেট ফুয়েলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ব্যবস্থাপনা মোডে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা কোরিয়ান এয়ার। চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতি চাপে পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

মঙ্গলবার এক মুখপাত্র জানান, বাড়তি জ্বালানি ব্যয় ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় সংস্থাটি 'অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ' গ্রহণ করবে, যাতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায়।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় এশিয়ার আরও কয়েকটি বিমান সংস্থা ইতোমধ্যে একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, আর বৈশ্বিক জেট ফুয়েলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, সংকটকালে আর্থিক ঝুঁকি কমাতে অতীতেও—যেমন কোভিড-১৯ মহামারির সময়—এ ধরনের জরুরি কৌশল গ্রহণ করেছে এয়ারলাইনগুলো। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পিডব্লিউসি এর বিশেষজ্ঞ তান চি শিয়াং বলেন, এশিয়ার বিমান সংস্থাগুলো এখন দুমুখো বিপদের সম্মুখীন। একদিকে বাড়তি তেলের দাম, অন্যদিকে আঞ্চলিক জেট ফুয়েলের ঘাটতির মুখে পড়েছে তারা।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা তেলের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া এই সংকটে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশটির একাধিক বিমান সংস্থা যেমন এশিয়ানা এয়ারলাইনস ও এয়ার বুসান জরুরি ব্যবস্থাপনায় গেছে। সাধারণত এসব ব্যবস্থার মধ্যে থাকে নতুন বিনিয়োগ বা উন্নয়ন প্রকল্প ধীর করা, ব্যয় সংকোচন করা, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত