ভারতের কাশ্মীরের শ্রীনগরে হাউজবোটে আগুন লেগে নিহত তিন বাংলাদেশির মৃতদেহ ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় তাদের মরদেহ ঢামেক মর্গে আনা হয়। এর আগে বিকেলে ভারতের দিল্লি থেকে ওই তিনজনের মৃতদেহ একটি কার্গো বিমানে করে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
গত শনিবার ভোরে শ্রীনগরের বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র ডাল লেকে কয়েকটি হাউজবোটে আগুন লেগে ওই তিন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভারত থেকে দেশে আসা তিন মরদেহের মধ্যে দুজন হিন্দু ধর্মের আর এক জন মুসলিম। পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ায় তাদের আলাদাভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য সিআইডির সহযোগিতায় আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এজন্য মরদেহভর্তি কফিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের গণপূর্ত বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু হোসেন সরকার বলেন, কাশ্মীরে হাউজবোটে আগুন লেগে মারা যাওয়া তিন বাংলাদেশির মধ্যে দুজন প্রকৌশলী ছিলেন। তারা হলেনÑ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অনিন্দ্য কৌশল ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমন দাশগুপ্ত। আরেকজন হলেন তাদের বন্ধু ব্যবসায়ী মো. মঈনুদ্দিন।
তিনি আরও জানান, তাদের তিনজনের বাড়িই চট্টগ্রামে। ভারতে তাদের তিনজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।
