ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গেছে ভারত। ক্রিকেটভক্ত দেশটিতে এই ঘটনার রেষ এখনো কাটছেই না। ভারতের ভক্তরা এখনো এই হার মেনে নিতে পারছে না। আবার ভারতীয়দের এই আবেগকে নিজ নিজ দলের পক্ষে এবং বিরোধী পক্ষকে ঘায়েল করতে কাজে লাগাচ্ছেন দেশটির শীর্ষ নেতারা। ভারতের হারের জন্য একে অন্যকে দোষারোপ করছেন তারা। শুরুটা হয় বিজেপি-কংগ্রেস দিয়ে। এবার তাতে যোগ দিলো তৃণমূল কংগ্রেস।
এবার ভারতের পরাজয় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্টেডিয়ামে প্রবেশ নিয়ে মুখ খুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত দলীয় সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি তো এখনো বলতে পারি, ভারতের ফাইনাল ম্যাচ যদি কলকাতায় বা মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হতো, তাহলে আমরা জিততাম।’
এ সময় বিজেপিকে ‘পাপিষ্ঠ’ আখ্যায়িত করে মমতা বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় অনেক ভালো। ভারতীয় খেলোয়াড়রা এত ভালো খেললো, সব খেলায় জিতলো। আর পাপিষ্ঠরা যেখানে গেল, সেখানেই ভরাডুবি হলো।’
মমতার আগে ভারতের পরাজয়ের দায় মোদির ওপর চাপান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। রাজস্থানে গত মঙ্গলবার একটি রাজনৈতিক র্যালিতে অংশ নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। র্যালিতে দেওয়া বক্তৃতায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেন তিনি। রাহুল বলেন, মোদি একটা ‘অপয়া’। তিনি মাঠে প্রবেশ করার কারণে বিশ্বকাপে হেরেছে ভারত।
অবশ্য রাহুলকে জবাব দিতে ছাড়েনি বিজেপি নেতারাও। কংগ্রেসকে পাল্টা আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, ফাইনাল ম্যাচের দিন ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জন্মদিন থাকায় ভারতকে ফাইনাল ম্যাচে হারতে হয়েছে।
