দেড় মাসের বিশ্বকাপ রেশ শেষে ওয়ানডে ছেড়ে টি২০ তে মেতে উঠেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিশাখাপট্টনামে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ লাগাতে পারল সূর্যকুমারের ভারত। অধিনায়কত্বের অভিষেকেই টস জিতে অজিদের ব্যাটিংয়ে পাঠান। জশ ইংলিসের দ্রুততম সেঞ্চুরির সুবাদে ৩ উইকেটে বোর্ডে ২০৮ রান জড়ো করে অস্ট্রেলিয়া। নাটকীয়তাপূর্ণ শেষ ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে ভারত।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দারুণ এক কীর্তি গড়েন জশ ইংলিস। মাত্র ৪৭ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি২০ সেঞ্চুরি করেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার ব্যাটার। তাতে দেশটির হয়ে আন্তর্জাতিক টি২০তে দ্রুততম সেঞ্চুরি করার তালিকায় পাশে বসলেন অ্যারন ফিঞ্চের। সেঞ্চুরির পর ৫০ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। ইনিংস সাজানো ১১টি চার ও ৮টি ছয়ে।
২০১৩ সালে বার্মিংহামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম অজি ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছিলেন ফিঞ্চ। দশ বছর পর তাতে ভাগ বসালেন ইংলিস। সেঞ্চুরির পর ৫০ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। ইনিংস সাজানো ১১টি চার ও ৮টি ছয়ে। এছাড়া স্টিভেন স্মিথ ৪১ বলে ৫২ ও টিম ডেভিড ১৯ রান করেন। প্রসিধ কৃষ্ণা ও রবি বিষ্ণয় একটি করে উইকেট পান।
২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় ভারত। ‘ডায়মন্ড ডাক’-নিয়ে মাঠ ছাড়েন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট হলে কোনো বল না খেলেই শূন্য রানে ফেরেন রুতুরাজ। ভারতের ইতিহাসে জাসপ্রিত বুমরা ও অমিত মিশ্রর পর তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি২০তে ‘ডায়মন্ড ডাক’ পেলেন তিনি। ৮ বলে ২১ রান করে ফেরেন যশস্বীও। তবে তৃতীয় উইকেটে ১১২ রানের জুটি গড়েন ইশান কিশান ও অধিনায়ক সূর্যকুমার। কিশানের উইলো থেকে আসে ৩৯ বলে ৫৮ রান।
পঞ্চম উইকেটে রিংকু সিংকে নিয়ে ঝড়ো ১৭ বলে ৪০ রানের আরও একটি জুটি গড়ে ভারতকে জয়ের কাছে নিয়ে যান সূর্য। ৪২ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ৮০ রান করেন ভারতের অধিনায়ক। রিংকু অপরাজিত থাকেন ১৪ বলে ২২ রান করে।
