তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ জানিয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতি খুব দ্রুতই বদলাচ্ছে, পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন নিশ্চিত (ইএসজি) করার চেষ্টাও চলছে, পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক কারণে বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গতকাল শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।
তিনি বলেন, সম্প্রতি এই খাতের শ্রমিকদের শ্রম অসন্তোষের কারণে সারা বিশ্বের নজরে পড়েছে দেশের ন্যূনতম মজুরি। ২০১০ সালের পর থেকে দেশের পোশাক খাতের শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে ছয় গুণ। কিন্তু সম্প্রতি ইউরোপিয়ান কমিশন দেশের শ্রম পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের শ্রমের মান পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ মিশন ১২-১৬ নভেম্বর বাংলাদেশ সফর করেছে।
ফারুক হাসান বলেন, ‘উন্নত শিল্প সম্পর্ক জোরদার করা আমাদের জন্য একটি অগ্রাধিকার। এটি অর্জন করা সম্ভব কর্মক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি, সংলাপ এবং অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে। কারখানাগুলোতে আমরা শ্রম অধিকার নিয়ে আলোচনা করছি। শুধু তা-ই নয়, আমাদের কারখানাগুলোও কোনো আইনি প্রয়োজনের বাইরেও শ্রমিকদের জন্য অনন্য কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কারখানাগুলোর কর্মক্ষেত্র আরও সুবিধাজনক এবং আরামদায়ক করতে উন্নত প্রযুক্তি, মেশিন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগ করছে। শ্রমিকদের ক্লান্তি কমাতে অপ্রয়োজনীয় শ্রম এবং শারীরিক শ্রম কমানো হচ্ছে।’
