যশোর যুবদলের কারাবন্দি এক নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে চিকিৎসার বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে এনেছেন বিএনপির আইনজীবীরা। এর আগে ‘হৃদরোগী যুবদল নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে চিকিৎসা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে দেশ রূপান্তর।
বিষয়টি আজ বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের নজরে আনেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও গাজী কামরুল ইসলাম সজল।
একপর্যায়ে অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী হাইকোর্টের কাছে এ বিষয়ে সুয়ো মোটো আদেশ চান এবং বলেন, ‘একটা স্বাধীন দেশে এভাবে চলতে পারে না। আমরা কি দেশের থার্ড ক্লাস সিটিজেন?।’
তখন আদালত বলেন, ‘হিনিয়াস ক্রাইমের ক্ষেত্রে অপরাধীকে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়। আর এ বিষয়ে হাইকোর্টের তো একাধিক সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে আমরা এ বিষয়ে সুয়ো মোটো আদেশ দেব না। আপনারা চাইলে (রিট) ফাইল করে আসতে পারেন।’
আদালত থেকে বের হয়ে বিএনপির আইনজীবীরা সাংবাদিকদের জানান, তারা ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত যুবদল নেতার বিষয়টি নিয়ে দ্রুত (রিট) ফাইল করবেন।
প্রসঙ্গত, যশোর যুবদলের কারাবন্দি এক নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠে। হৃদরোগে আক্রান্ত হলে কারাগার থেকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে যুবদল নেতাকে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনরা। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, খাওয়ার সময়ও তার হাতকড়া খোলা হয়নি। স্বজনদের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
