অলিম্পিকের পরবর্তী আসর প্যারিসে বসতে যাচ্ছে আগামী বছরের জুলাইয়ে। এই আসরে বাংলাদেশের চার ডিসিপ্লিনের জন্য ওয়াইল্ড কার্ড আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। সেখানে শ্যুটিং, আরচ্যারি, বক্সিং ও গলফ এই চার ডিসিপ্লিনে ওয়াইল্ড কার্ড বরাদ্দ চাইবে সংগঠনটি।
আজ বিওএর এক সভা শেষে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন প্যারিস অলিম্পিকে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের শেফ দ্য মিশন ও বিওএ উপমহাসচিব ইন্তেখাবুল হামিদ অপু এমনটি জানিয়েছেন।
এই চার ডিসিপ্লিনের বাইরে অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতারের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে প্যারিস অলিম্পিকে। আন্তর্জাতিক সাঁতার ও অ্যাথলেটিক্স সংস্থা সরাসরি তাদের অধিভুক্ত ফেডারেশনকে কোটা প্রদান করে থাকে। বিগত আসরগুলোর ন্যায় এবারও বাংলাদেশ এই দুই ডিসিপ্লিন থেকে অন্তত দুই জন ক্রীড়াবিদ অলিম্পিকে অংশ নিতে পারেন বলা যায়। এছাড়াও কয়েকটি ডিসিপ্লিনে অলিম্পিক বাছাই চলছে৷ সেই সকল খেলাসমূহ থেকে যদি কোনো ক্রীড়াবিদ উত্তীর্ণ হন তিনিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পাবেন ৷
২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে গলফার সিদ্দিক র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে এবং ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে আরচ্যার রোমান সানা বাছাই পর্ব পেরিয়ে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। এই দুই জন ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো ক্রীড়াবিদ অলিম্পিকে নিজ সামর্থ্যে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি।
ফুটবল, ভলিবলসহ অন্য দলীয় খেলাগুলো স্ব স্ব খেলার বৈশ্বিক সংস্থার মাধ্যমে অলিম্পিক বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সেই বাছাই পার হতে পারে না। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি বাছাইয়ের গন্ডি পেরুতে না পারা দেশগুলোকে অংশগ্রহণের জন্য ব্যক্তিগত কিছু ডিসিপ্লিনে কার্ড প্রদান করে। বাংলাদেশ ১৯৮৪ সাল থেকে ওয়াইল্ড কার্ড নিয়েই অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করছে।
