শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে সাদিয়া আয়মান অভিনীত বিশেষ নাটক ‘ইলিশের গন্ধ’। সুব্রত কুমার সঞ্জীবের পরিচালনায় নাটকটিতে তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন সৈয়দ জামান শাওন। এটির শুটিং হয়েছে অভিনেত্রীর নিজ শহর বরিশালে। বরিশালের মেয়ে হলেও এবারই প্রথম নিজের এলাকার আঞ্চলিক ভাষায় অভিনয় করেছেন তিনি, যার কারণে এই নাটকটি তার কাছে একটু বেশি স্পেশাল। নাটকটিতে সাদিয়া আয়মানকে দেখা যাবে একজন আচার বিক্রেতা চরিত্রে এবং শাওন মাছ বিক্রেতা।
অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত অনেক ধরনের চরিত্রেই অভিনয় করেছি কিন্তু এই প্রথম নাটকে বরিশালের ভাষায় কথা বলেছি। এই নাটকটির পুরো টিমের বেশিরভাগ সদস্যই ছিল বরিশালের। একদমই ‘র’ গল্প এবং এলাকায় শুটিং করেছি। তাছাড়া এমন চরিত্র কখনো করিনি যার কারণে কিছুটা নার্ভাস ছিলাম। আমার সহশিল্পী শাওন ভাইয়া বরিশালের না হয়েও এত সুন্দর আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেছেন, যা দেখে আমি চিন্তিত হয়ে পড়ি। আমি এতটাও ভালোভাবে বলতে পারি না। তবে কাজটা করে অনেক অনেক বেশি মজা পেয়েছি।’
শুটিং করতে গিয়ে মজার অভিজ্ঞতা জানিয়ে সাদিয়া বলেন, ‘আমরা ইলিশের অরিজিনাল আড়তে কাজ করছি। কোনো মেকআপ নিইনি। কিন্তু আমি যখন ‘র’ লুকে সেটে আসি তখন শাওন ভাইয়া বলছিল এত সুন্দর আচার বিক্রেতা আগে দেখিনি। ফেইস ডার্ক করতে হবে। পরে হালকা মেকআপ দিয়ে আমার ফেইস কিছুটা ডার্ক করা হয়। আমরা যখন শুটিং করছিলাম, অনেকেই আমাকে চিনতে পারেনি। মানুষজন এসে বলছে, আপু ৫ টাকার আচার দাও তো। ওরা আমাকে চিনতে পারেনি, ভেবেছে আমি সত্যিই আচার বিক্রেতা। এরপর আমার সামনে দিয়ে একজন ফরেনার যাচ্ছিল তখন শাওন ভাইয়া বলল, উনাকে ডাকো। এরপর উনাকে ডেকে আমি বললাম, ‘উড ইউ লাইক টু হ্যাভ সাম পিকলস?’ তখন ফরেনার বলল, ‘নো, আই ডোন্ট লাইক পিকলস’। এরপর আবারও তাকে বললে তিনি বলেন, ‘ইউর ইংলিশ ইজ ভেরি ওয়েল’। তিনিও বুঝতে পারেননি আমরা যে শুটিং করেছি। এরকম আরও অনেক মজার মজার অভিজ্ঞতা হয়েছে কাজটি করতে গিয়ে।’
