বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘সারা দেশে কারাগারগুলোতে উপচে পড়ছে বিএনপির নেতাকর্মী। কারাগারে যাওয়ার পরে অসুস্থ হচ্ছে এবং ধুঁকে ধুঁকে সেখানে মরছে।’
আজ শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বিকালে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘শুধু বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর নেতাকর্মীরা নয় সরকারের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক এবং প্রতিবাদমুখর লোকজনরা। বিরোধী রাজনীতিবিদ এবং সমালোচকদের সরকার গণ দমন-পীড়নের মাধ্যমে এদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে যাচ্ছে। সারা দেশে এরকম একটা ভয়-ভীতির ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। আর আওয়ামী লীগের লোকও যদি প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপি বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন, সেও নিস্তার পায় না।’
রিজভী বলেন, ‘ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জিতে আসার দিন শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশে যে তথাকথিত নির্বাচনের পাঁয়তারা চলছে তা ভোটার ও জনগণের জন্য নয়। এটি সরকারের আরেকটি কদর্য রাজ্যাভিষেকের উৎসব হতে চলেছে। সকলের প্রত্যাশার একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবর্তে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আরেকটি ভোট ডাকাতির উৎসব আয়োজনের পথ বেছে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও তার দলের লোকজন ভোট ডাকাতির জন্য নির্বাচনী ট্রেনে চড়তে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন দলের লোকদের ভাড়া করেছে। তাদের এই নির্বাচনী ট্রেনকে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেওয়া হবে না। ফ্যাসিবাদী নির্বাচনী মডেল বন্ধ করুন এবং জনগণের দাবি মেনে নিন। অন্যথায় পতন অনিবার্য।’
