আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সময় হবিগঞ্জে পুলিশের সাথে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশ সাংবাদিকসহ প্রায় ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ২ সাংবাদিকসহ যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরে শায়েস্তানগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির মানববন্ধন চলাকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাধা দেয়। এনিয়ে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছু সময় বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। প্রায় ১ ঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এসময় একটি গাড়ি কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, শটগানের গুলি ছোড়ে পুলিশ। এসময় মাইটিভির প্রতিনিধি নিরঞ্জন গোস্বামী শুভ, দেশটিভির প্রতিনিধি আমির হামজা, জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোতাহার হোসেন ছাত্রদলের ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুল ইসলাম, যুবদল নেতা শেখ রাসেলসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন সেলিম জানান, মানববন্ধন শেষ পর্যায়ে এসে পুলিশ আমাদের ওপর হামলা চালালে এ ঘটনা ঘটে। মানববন্ধনে বিএনপির সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক, সাবেক মহিলা এমপি শাম্মী আক্তার শিপা, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, সাবেক এমপি শেখ সুজাতসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের ছোড়া ইট-পাটকেলে তিনিসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ একজনকে আটক করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।
