কাতারের মধ্যস্থতায় নভেম্বরের ২৪ তারিখে জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে চার দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজা উপত্যকায়। পরবর্তীতে সময় বেড়ে তা সাতদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
কিন্তু যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ডিসেম্বরের শুরু থেকেই ফের গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল।
তবে দ্বিতীয়ভাগে যুদ্ধ শুরু হলেও দুই পক্ষের মধ্যে আবারও যুদ্ধবিরতির একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে কাজ করে যাচ্ছেন মধ্যস্থতাকারীরা। সে কাজ যে খুব সহজ নয় তা বোঝা গেল কাতারের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও।
গাজায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ নতুন করে জিম্মি চুক্তির জন্য 'জানালা সংকুচিত করছে' বলে রবিবার আয়োজিত দোহা ফোরামে এক ভাষণে মন্তব্য করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি। খবর আল জাজিরা।
তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের চলমান বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও একটি নতুন যুদ্ধবিরতি নিশ্চিতে এবং হামাসের কাছে আটক আরও জিম্মিদের মুক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে”
কাতারের প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে আরও বলেন, ‘গাজা যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের একটি পুরো প্রজন্ম মৌলবাদীতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া কাতারের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের ধারাবাহিকতা এবং তীব্রতা গাজায় আরেকটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা হ্রাস পাচ্ছে।‘
তারপরও কাতার রাষ্ট্র হিসাবে অংশীদারদের সাথে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, কিন্তু হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির কোন ইচ্ছা দেখা যাচ্ছে না বলে জানান শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি।
গত মাসে অনুষ্ঠিত ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সাত দিন স্থায়ী হয় এবং এ সময় হামাসের হাতে বন্দী ১১০ জন জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হয়। একই সাথে ইসরায়েলে বন্দী ২৪০ জন ফিলিস্তিনিকেও মুক্তি দেয়া হয়।
