আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও মিনিস্টার, মাইওয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক খান রাজ জনসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন। মাঠ জরিপে জানা যায়, তিনি এখন জনপ্রিয়তায় বেশ এগিয়ে রয়েছেন।
তিনি এফবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য।
জানা যায়, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে আওয়ামী লীগকে বেশ শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছেন। তিনি করোনা মহামারী ও লকডাউনের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে চান।
স্থানীয়রা জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ রাজ্জাক খান রাজ এমপি নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের মাঝে রাষ্ট্রের সকল বরাদ্দের সুষম বন্টন হবে। তিনি এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ব্যাপক উন্নয়ন করবেন।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ রাজ্জাক খান রাজ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম ও আছি। আমি মুজিব আদর্শের সৈনিক, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে সফল করতে, আমার এলাকার মানুষের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে, সাধারণ মানুষের দাবির মুখে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়, তারা এলাকার উন্নয়ন চায়, তারা আমাকে এমপি হিসাবে দেখতে চায়। আমি দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের ভোটে নির্বাচিত হবো বলে বিশ্বাস করি। আমি নৌকার বিপক্ষে নই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাই আমি চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি।‘
স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ রাজ্জাক খান রাজ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে কিছু মহল, তারা চাচ্ছেন মিথ্যা গুজব ও তথ্য ছড়িয়ে আমার জনপ্রিয়তা হ্রাস করতে। কিন্তু এ সকল মনগড়া মিথ্যা গুজব দিয়ে আমাকে দমিয়ে রাখা যাবে না, আমি চুয়াডাঙ্গার জনগণের ভাগ্যের উন্নয়নে ছিলাম, আছি এবং থাকবো।‘
আলমডাঙ্গা উপজেলার ইমদাদুল হক বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ রাজ্জাক খান রাজ একজন ভালো মনের মানুষ, তিনি করোনা ভাইরাস এর সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে চিকিৎসা সেবা অক্সিজেন সরবরাহ, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে নজির স্থাপন করেছেন, তিনি এমপি না হয়েও এলাকার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন জায়গায় মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।‘
পারভেজ বলেন, ‘আমার প্রথম ভোট স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ রাজ্জাক খান রাজকেই দিব, কারণ রাজ্জাক খান একজন যোগ্য প্রার্থী , রাজ্জাক খান এমপি হলে চুয়াডাঙ্গায় ব্যাপক উন্নয়ন হবে ও বেকারত্ব দূর হবে।’
