সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফখরুল-রিফাত পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ী হয়েছে। রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিক ভাবে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামের এই প্যানেলকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করায় নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. ফখরুল ইসলাম সকল শিক্ষককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ২০২৪ সালের জন্য এক বছর মেয়াদি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রিফাত-উর-রহমান। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন সুলতানা, কোষাধ্যক্ষ পদে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাইনুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বরুণ চন্দ্র রায়, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিজন কুমার, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান নুসরাত জাহান এবং সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবশ্রী দোলন নির্বাচিত হয়েছেন।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে, এমন এক প্রেক্ষাপটে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের নামের প্রতি সুবিচার করবে এই প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দুজনই রবীন্দ্র অনুরাগী। বিশ্বজনের কাছে রবীন্দ্রনাথকে চিরসমুজ্জ্বল রাখতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সদা সচেষ্ট রয়েছে।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. রিফাত-উর-রহমান বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৮ সালে। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক যেন তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং একই সাথে বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস রেখে প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়, সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করতে বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। যেহেতু বিশ্বকবির নামে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে।
