‘৭ জানুয়ারির নির্বাচনের খেসারত আ. লীগকে দিতে হবে’

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:৫৮ পিএম

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মসিউজ্জামান বলেছেন, গত ৭ জানুয়ারি কোনও নির্বাচন এদেশে হয়নি। যেটি হয়েছে সেটি ছিল তামাশা। এই তামাশায় জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করা হয়েছে, এর খেসারত আ. লীগকে দিতে হবে। গণঅধিকার পরিষদ ৭ জানুয়ারির একদলীয় প্রহসনের নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব।

আজ শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জনতার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন। বিক্ষোভে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করে।

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ফারুক হাসান বলেন, আ. লীগ দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছে। শেখ হাসিনার বাবা যেমন স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশের সকল দল নিষিদ্ধ করেছিলেন, একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিলেন, ঠিক শেখ হাসিনাও আজকে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছেন।

৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে কোনও নির্বাচন হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেটা হয়েছে সেটা ছিল দাদাবাবুদের প্রেসক্রিপশনে একটি ডামি নির্বাচন। এই ডামি নির্বাচন জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। ভোটকেন্দ্রে ৭ ভাগ মানুষও যায়নি। আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীরাই বলছেন এই নির্বাচন কারচুপির নির্বাচন, মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছে। যেখানে আ. লীগের নৌকার মাঝিরাই বলছেন নির্বাচন স্বচ্ছ ছিল না, সেখানে পরিষ্কার যে এটা বাংলাদেশের জনগণের কোনও নির্বাচন নয়।

গণনেতা মোজাম্মেল মিয়াজির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গণনেতা তারেক রহমান, জিয়াউর রহমান, আরিফ বিল্লাহ, নুরুল হুদা, শামীম রেজা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব ইমাম উদ্দিন, ফায়সাল আহমেদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের আব্দুল্লাহ, শফিকুল ইসলাম রতন, যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সাকিব হোসাইন, ছাত্ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মুনতাসীর মাহমুদ প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত