তাইওয়ানের স্বাধীনতা সমর্থন করেন না বাইডেন   

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:২৪ এএম

চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল তাইওয়ানে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন চীনবিরোধী নেতা ও বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রোসিভ পার্টির প্রার্থী লাই চিং তে। এবার তিনি তাইওয়ানকে স্বাধীন করার জোর চেষ্টা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এজন্য লাইয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সরাসরি চীন বিরোধীতার পথে হাঁটছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাই লাইয়ের জয়ের পর নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করি না।’

শনিবারের নির্বাচনে লাইয়ের জয় নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া প্রকাশকালে এই কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

লাইকে নির্বাচিত না করতে ভোটের আগেই তাইওয়ানিজ ভোটারদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল চীন। এই নির্বাচনকে ‘যুদ্ধ ও শান্তি’র মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়া হিসেবে উল্লেখ করেছিল বেইজিং। কিন্তু লাইকেই নির্বাচিত করেছে তাইওয়ানিজরা। স্বাধীনতাকামী লাই চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার পাশাপাশি শান্তিরক্ষায় আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। অতএব সামনে তাইওয়ান সংকট বাড়বে এই আশঙ্কা একেবারে অমূলক বলা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে তাইওয়ানের স্বাধীনতা প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিকভাবে প্রকাশ্য সমর্থন না জানালেও সবরকম সহায়তা দীর্ঘদিন ধরেই দিচ্ছে। তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও দেশটিকে সবচেয়ে বেশি সামরিক সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এবারের তাইওয়ানের নির্বাচন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ওয়াশিংটন সতর্ক করে বলেছিল, ‘নির্বাচনে কোনো দেশের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য না।’ তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের এসব তৎপরতাকে নিজের জন্য হুমকি হিসেবে দেখে চীন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত