চশমা পড়েও সমাধান পাচ্ছেন না সাকিব, চিকিৎসায় যাচ্ছেন লন্ডনে

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:৪৪ পিএম

জাতীয় নির্বাচনের একদিন পরেই রংপুর রাইডার্সের অনুশীলন শুরু করেন সাকিব আল হাসান। তবে আজ তাকে বিস্মিত অনেকই। সাকিব আল হাসানের চোখে যে দশমা। একটু ভালো করে খেয়াল করে দেখা গেল, রোদচশমা নয়, সাধারণ চশমাই সেটি। চশমা চোখে নেটে প্রায় আধঘণ্টা নক করেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক।
ব্যাট হাতে সাকিবের মাঠে ঢোকা থেকে শুরু করে নক করার পুরো সময়টায় খুব কাছাকাছি ছিলেন বিসিবির চিকিৎসক মঞ্জুর হোসেন চৌধুরি। চশমা ব্যবহারের কারণটি অনুমান করে নিতে তাই সমস্যা হয়নি। চোখের যে সমস্যায় তিনি ভুগছেন গত বিশ্বকাপ থেকে, সেটির সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে চশমার আশ্রয় তিনি নিয়েছিলেন।
তবে চশমা ব্যবহার করেও খুব একটা উপকার পাননি সাকিব। চোখের চিকিৎসক দেখাতে তাই আজ রাতেই লন্ডন যাচ্ছেন সাকিব। বিপিএল শুরুর আগেই তার ফেরার কথা। তবু টুর্নামেন্টের শুরুতে তাকে পাওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তাও তৈরি হতে পারে।
গত বিশ্বকাপ চলার সময় চেন্নাইয়ে চোখের চিকিৎসক দেখিয়েছিলেন সাকিব। তবে কোনো সমস্যার কথা তখন আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। সম্প্রতি ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে তিনি নিজেই জানান, ‘যখন আমি সেখানে (ভারতে) ডাক্তারের কাছে যাই, তখনও আমার কর্ণিয়া বা রেটিনায় পানি জমে ছিল। তারা আমাকে ড্রপ দিয়েছিল আর এও বলা হয়েছিল মানসিক চাপ কমাতে। আমি জানিনা এটাই সমস্যার (চোখের দৃষ্টি কমে আসা) কারণ কিনা। কিন্তু যখন আমি আবার আমেরিকায় (বিশ্বকাপের পর) পরীক্ষা করাই, আমার কোনো চাপ ছিল না। আমি ডাক্তারকে বলেছিলাম, বিশ্বকাপ নেই। তাই চাপও নেই।'
চেন্নাইয়ের চিকিৎসকের কথার সত্যতা পাওয়া যায় পরে। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সাকিব আবার চিকিৎসক দেখান, তখন কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। ধরে নেওয়া হয়, তখন চাপ ছিল না বলেই চোখের সমস্যাও ছিল না।
এরপর দেশে ফিরে জাতীয় নির্বাচনের প্রচারে রাত-দিন ব্যস্ত সময় কেটেছে তার। চাপও ছিল প্রচণ্ড। নির্বাচন শেষে অনুশীলনে ফেরার পর আবার চোখের সমস্যাও ফিরে আসে। সম্ভাব্য সমাধান হিসেবেই রবিবার চশমা-পরীক্ষা চালানো হয়। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি।
বিসিবির মেডিকেল বিভাগ থেকে জানা গেছে, আরও একবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে এটি পরিষ্কার হওয়ার জন্য যে, আদতেই ‘স্ট্রেস’ থেকে সমস্যা হচ্ছে নাকি চোখেরই কোনো রোগ আছে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত