স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চোরাচালান বিরোধী টাস্কফোর্সে বাজুসের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই প্রস্তাবনা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)।
ভবিষ্যতে বাজুসের যেকোন সমস্যা সমাধানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চান বাজুস নেতারা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চোরাচালান বিরোধী টাস্কফোর্সে বাজুসের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে চোরাচালন বিরোধী কার্যক্রমে বাজুসের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করা, জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটিতে বাজুসের জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অন্তর্ভূক্ত করার প্রস্তাবনা দিয়েছে বাজুস।
বাজুসের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সোনা পরিবহনের ক্ষেত্রে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রায়ই হয়রানির শিকার হয়। এ ক্ষেত্রে সোনার অলংকার পরিবহনের সময় প্রতিষ্ঠানের চালানের কপি ও বহনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বাজুসের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে কোনরূপ হয়রানি না করে তার যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি করছি। সারা দেশে জুয়েলারি দোকানে এ যাবতকাল অনেক চুরি ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এ সকল ঘটনায় বর্তমান আইন অনুযায়ী সাধারণ চুরির মামলা হিসেবে থানা গ্রহণ করে। সোনা একটি মূল্যবান ধাতু। তাই আইন পরিবর্তন করার জন্য প্রস্তাবনা জানিয়েছে বাজুস নেতারা।
মঙ্গলবারের এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাজুসের সহ-সভাপতি গুলজার আহমেদ, রিপনুল হাসান, মাসুদুর রহমান, জয়নাল আবেদীন, সমিত ঘোষ। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন প্রমুখ।
