রহমতপুর কল্যাণ ট্রাস্টের আড়ালে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জন করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এমন অভিযোগ দাখিল হয়েছে। ট্রাস্টটির মালিক হাজী সাইদুর রহমান বাগেরহাটের চিতলমারী থানার রহমতপুরের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৮নং বেলী রোডের নাছরিন গার্ডেনে বসবাস করেন। তবে দুদক বলছে, অভিযোগ পাওয়ার পর ইতোমধ্যে তা ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়েছে।
দুদকে দাখিল হওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, বাগেরহাটের চিতলমারীতে নিজ বাড়িতে রহমতপুর কল্যান ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করে হাজী সাইদুর রহমান। ট্রাস্টের নামে ভুয়া প্রকল্প ও মিথ্যা কর্মসূচি সাজিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া ট্রাস্টের নামে পাওয়া বিভিন্ন অনুদান ও সাহায্যের টাকাও নয়ছয় হয়েছে। সাইদুর রহমান ও তার পরিবারের লোকজন সাধারণ মানুষকে চাকরি, ব্যবসা এবং বিদাশে পাঠানোর কথা বলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সেই অর্থ দিয়ে বিপুল অর্থ সম্পদ অর্জন করে হাজী সাইদুর রহমান নামে-বেনামে বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। হাজী সাইদুর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে বেশ অনেক গুলো বাড়ি, ফ্লাট ও জমি রয়েছে। এছাড়া সাইদুর রহমান আপন ও চাচাতো ভাইদের নামেও প্রচুর সম্পত্তি ক্রয় ও বাড়ি-রিসোর্ট নির্মাণ করে তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাইদুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমিও অভিযোগের কপি পেয়েছি। অভিযোগে উল্লেখিত বিষয়গুলো মিথ্যা। তবে আমার অনেকগুলো বাড়ি-ঘর-ফ্লাট আছে সত্য। কিন্তু সেগুলোর আমি কর দেয়।
তিনি বলেন, তবে ট্রাস্টের আড়ালে কোন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়নি। ট্রাস্ট ভালো উদ্দেশ্যেই গঠন হয়। দুদক তদন্ত অনেক করেছে, আরও করুক তাতে কোন অসুবিধা নেই।
অভিযোগ পাওয়ার সতত্যা স্বীকার করে দুদকের বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহরিয়ার জামিল জিলানী বলেন, রহমতপুর কল্যান ট্রাস্টসহ সাইদুর রহমানের সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। আমলে নিয়ে ইতোমধ্যে অভিযোগের কপি ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
