দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে যুদ্ধবিমান সরবরাহ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:২৬ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন তুরস্কের কাছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-১৬ বিক্রির উদ্যোগ অবশেষে এগিয়ে নিচ্ছে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর মার্কিন কংগ্রেস এতে সায় দিয়েছে। একইসঙ্গে তুরস্কের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রিসকেও যুদ্ধবিমান সরবরাহ করছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকরা বলেন, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাওয়ার জন্য আঙ্কারার তোড়জোড়ের অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, আকাশযুদ্ধে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা।

গতকাল শনিবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসকে জো বাইডেনের প্রশাসন জানায়, তারা দুই হাজার ৩০০ কোটি ডলার অর্থমূল্যের বিনিময়ে ওয়াশিংটনের সর্বাধুনিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করতে চায় ন্যাটোভুক্ত দেশ তুরস্ককে। চুক্তি অনুযায়ী, সর্বমোট ৪০টির মতো এফ-১৬ পাচ্ছে তুরস্ক। বলা হচ্ছে, ন্যাটো সামরিক জোটে সুইডেনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তুরস্ক আপত্তি তুলে নেওয়ায় ওয়াশিংটন যুদ্ধবিমান সরবরাহের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছে। মার্কিন অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘লকহিড মার্টিন’-এর উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান হচ্ছে এফ-১৬ এবং এফ-৩৫। তুরস্ককে এফ-১৬ সরবরাহের সিদ্ধান্ত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বাইডেন প্রশাসন ন্যাটো জোটের মিত্র দেশ গ্রিসকে ২০টির মতো এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই চুক্তির অর্থমূল্য ৮৬০ কোটি ডলার।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দুই ন্যাটো মিত্র দেশ তুরস্ক এবং গ্রিসের কাছে নিজের ভারসাম্যমূলক অবস্থান ধরে রাখতে ওয়াশিংটন দুই দেশের কাছেই যুদ্ধবিমান সরবরাহ করতে যাচ্ছে। 

তুরস্ক গত দশক থেকে এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের কিছু অংশে সামরিক উপস্থিতির জানান দিয়ে যাচ্ছে। দেশটি তার নিজস্ব অস্ত্র তৈরিতেও মনোযোগী হয়েছে। আঞ্চলিকভাবে তুরস্কের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে গ্রিস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত