হাসানুল হক ইনু নির্বাচনে কেন হারলেন, জানাল ইমাম পরিষদ

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৭:২৫ পিএম

পাঠ্যপুস্তক থেকে ‘ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষাসহ সবধরনের নির্লজ্জ, অনৈতিক, ইসলাম পরিপন্থী ও নাস্তিকতা শিক্ষা’ বাদ দেওয়া এবং শিক্ষা কারিকুলামে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব দাবি জানান তারা। এছাড়া এ আইন বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী জাসদের হাসানুল হক ইনুকে তার ভূমিকার খেসারত দিতে হবে বলে ঘোষণা দেন নেতারা।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকে মানুষের আত্মপরিচয়ের ক্ষেত্রে নাম, লিঙ্গ, বয়স, পছন্দের খাবার, পোশাক, শখ উল্লেখ থাকলেও ধর্মের পরিচয় সেখানে নেই। একটি বই থেকে ইসলামের অকাট্য ফরজ, বিধান, জিহাদ পরিপূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া ছেলে—মেয়ের বয়ঃসন্ধিকালীন স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এমনভাবে তুলে ধরা হয়েছে তাতে স্বভাবজাত লজ্জা-শরম কারো মাঝে থাকবে না।’

তিনি বলেন, নবম শ্রেণির একটি বইতে সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই, স্লোগানটি দৃশ্যত ভালো মনে হলেও এর উদ্দেশ্য পুরোটাই খারাপ। কেননা এর মাধ্যমে ধর্মীয় বিষয়কে বর্জন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন বক্তারা। সংবাদ সম্মেলনের এমন ইসলামবিরোধী ১০টি বিষয় তুলে ধরা হয়। যা দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিবর্তনের আহ্বান জানান তারা।

এক প্রশ্নের জবাবে নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, ‘ট্রান্সজেন্ডার ইস্যু নিয়ে হাসানুল হক ইনুর ভূমিকা এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। এমন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি নিবার্চনে হেরে গেছেন।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল সাঈদ, সহসাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম, কারামত আলী, হেকমত আলী শেখ, আনোয়ারুল আজিম, আবুল কালাম আজাদ, নাসির উদ্দিন কাশেমী, সিরাজুল হক প্রমুখ।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত