২৫ বছরের ডান হাতি পেসার জেভিয়ার বার্টলেটের ‘লিস্ট এ’ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র ২০টি। তাতে নিয়েছেন ২৩ উইকেট। তিনিই আজ উইন্ডেজের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ৯ ওভার বল করে ১ মেডেন ও মাত্র ১৭ রানের বিনিময়ে ঝুলিকে পুরেছেন ৪টি শিকার। তাতে উইন্ডিজকে মাত্র ২৩১ রানে বেধে দিয়ে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
ওয়ানডে অভিষেক ম্যাচেই ম্যাচসেরা হওয়ার কীর্তি গড়েছেন বার্টলেট। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক ওয়ানডেতে সেরা বোলিং নৈপুণ্য টনি ডোডেমেইডের। ১৯৮৮ সালে লঙ্কানদের বিপক্ষে পার্থে ২১ রানের বদলে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি।
অভিষেক ওয়ানডেতে ম্যাচসেরা হওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান। ২০১৫ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে ম্যাচসেরা হন মোস্তাফিজ। অবশ্য তিনিই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেকে ম্যাচসেরা হন।
মেলবোর্নে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে জয়ের দিন অভিষেক হয়েছে আরেক অজি পেসার ল্যান্স মরিসের। উইন্ডিজ ইনিংসের সর্বোচ্চ ৮৮ রান এসেছে কিয়েসি কার্টির ব্যাটে। রানআউট হওয়ায় হারিয়েছেন সেঞ্চুরির সুযোগ। রোস্টন চেজ করেন ৫৯ রান। জবাবে জশ ইংলিসের ৬৫ রানের পর, স্টিভ স্মিথের ৭৯ ও ক্যামেরন গ্রিনের ৭৭ রানের দুই অপরাজিত ইনিংসে বড় জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। বিপিএল খেলে যাওয়া ম্যাথিউ ফোর্ডে ও গুডাকেশ মোতি উইকেট দুটি পান।
