নির্বাচন কমিশনে বোমা হামলা, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাড়ছে সহিংসতা

  • করাচির রেড জোন এলাকায় অবস্থিত ইসিপি অফিসের দেয়ালের পাশেই একটি শপিং ব্যাগে বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা হয়েছিল
  • বিস্ফোরণের পর জনসাধারণকে অন্য পথে চলাচলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:০৩ পিএম

আগামী ৮ ফ্রেব্রুয়ারি পাকিস্তানের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে আরও সহিংস হয়ে উঠেছে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি। সর্বশেষ করাচীতে নির্বাচন কমিশন অফিসের বাইরে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

তবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসএসপি) দক্ষিণ সাজিদ সাদোজাই।

শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম দ্যা ডন।

কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় করাচির সদর এলাকায় প্রাদেশিক নির্বাচন কমিশন (পিইসি) অফিসের কাছে একটি তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে।

এদিকে পাকিস্তানি বার্তাসংস্থা এআরওয়াই নিউজ জানিয়েছে যে, করাচির রেড জোন এলাকায় অবস্থিত ইসিপি অফিসের দেয়ালের পাশেই একটি শপিং ব্যাগে বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা হয়েছিল। একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী এটি দেখতে পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের জানান।

বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জনসাধারণকে অন্য পথে চলাচলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমেই সহিংস হয়ে উঠছে পাকিস্তানের পরিস্থিতি। শুক্রবার বেলুচিস্তানের বিভিন্ন শহরে একাধিক হ্যান্ড গ্রেনেড হামলায় পিপিপি কর্মীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয় যে, করাচীর কালাত শহরের মুঘলসরাই এলাকায় দলীয় নির্বাচন অফিসের সামনে অজ্ঞাত মোটর সাইকেল আরোহীরা গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। গ্রেনেডটি ভবনের কাছে বিস্ফোরিত হলে তিনজন পিপিপি কর্মী আহত হন।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোয়েটার পূর্ব বাইপাস এলাকায় চার ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বিস্ফোরণ ঘটেছে।

এছাড়া পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণসহ সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিওয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। জাতীয় নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত