অপরাধজগতের ভেতরের গল্প সিনপাট

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:২৬ এএম

সিনপাট ৪টি পর্বে সর্বমোট ১৬৩ মিনিটের এই সিরিজটি নির্মিত হয়েছে। পর্বগুলোর নাম যথাক্রমে ‘অতিরিক্ত এক্সেস’, ‘পলান্টিক’, ‘ফিটিং শপ’, ‘ট্যাংসন’, ‘হাজরা’, ‘আবগারি’ ও ‘অজাল।’ সোহেল একজন নিম্নশ্রেণির অপরাধী। সে মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। নিজের এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে সে ফাজুকে সঙ্গে নিয়ে নতুন এক শহরে আস্তানা গাড়ে। এখানে এসেও অপরাধ তাদের পিছু ছাড়ে না। সঙ্গে যুক্ত হয় এলাকার নেশাদ্রব্য বিক্রেতা দুরু। এদিকে চালাক সাংবাদিক হাবিবুল বাশার তাদের পূর্বের অপরাধের সন্ধান করে এসে পৌঁছায় এখানেও। সবদিক থেকে শুরু হয় ‘সিনপাট’।

সিরিজে রাজশাহীর স্থানীয় ভাষা ও স্থানকে দেখতে পাওয়া যায়। সঙ্গে যোগ হয়েছে রাজবাড়ী ও পাবনার স্থানীয় ভাষা ও স্থানও। গল্পটির মূল বিষয় মাদক ব্যবসা ও মাদক চোরাচালান। ফজু ছিল একজন বাসের হেল্পার। এলাকা থেকে বিতাড়িত সোহেলের সংস্পর্শে এসে সে জড়িয়ে যায় এই পথের সঙ্গে। এদিকে প্রচণ্ড কৌশলী সাংবাদিক হাবিবুল বাশারের নজরে আসে এসব কর্মকাণ্ড। এদের পেছনে লেগে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন তিনি।

গল্পে নতুন বাঁক নিয়ে আসে নেশাদ্রব্য বিক্রেতা দুরুর আগমন। ফজুর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে সোহেলের হয়ে ‘ইনফর্মার’-এর দায়িত্ব পায় দুরু। এদিকে হাবিবুল বাশারের সতর্ক চোখকে কিছুই ফাঁকি দিতে পারে না। সব মিলিয়ে দারুণ জমে ওঠে ‘সিনপাট।’ সিরিজটির শুরু থেকেই দর্শকের সামনে পরিষ্কার হয়ে ওঠে নানারকম অপরাধ কার্যক্রমে অপরাধীদের জড়িয়ে যাওয়া। দলের ভেতরের সদস্যদের ভেতর অবিশ্বাস ও দ্বন্দ্ব তাদের সংঘাতের পথে নিয়ে যায়।

সিরিজটির নামের সার্থকতা মিলতে শুরু করে ঘটনাপ্রবাহ এগিয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই। সিনপাট তথা পরিকল্পনা ভ-ুল হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা ঘটে একেকজনের সঙ্গে একেক দিক থেকে।

মাহমুদ নেওয়াজ জয়ের রিভিউ থেকে

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত