অভিনয়ের আগে উপন্যাসটা বারবার পড়েছি

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০৬ এএম

মুক্তি পেয়েছে প্রার্থনা ফারদিন দীঘি অভিনীত চলচ্চিত্র ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়।’ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ‘ঝিনুকমালা’খ্যাত আবদুস সামাদ খোকন। সিনেমা প্রসঙ্গে কথা বলতেই দীঘি জানালেন এই চলচ্চিত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভিন্ন রকম।

অভিনেত্রী বললেন, ‘ইমদাদুল হক মিলন আমার অত্যন্ত পছন্দের লেখক। তার অনেকগুলো উপন্যাস আমি পড়েছি। কিন্তু প্রিয় লেখকের উপন্যাসের চরিত্রে অভিনয় করব এমনটা ভাবিনি। আমার কাছে যখন প্রস্তাব আসে তখন শ্রাবণ জ্যোৎস্নায় উপন্যাসটা আমি পড়তে শুরু করি। এভাবে আমি কয়েকবার পড়তে গিয়ে চরিত্রের ভেতর ঢুকে যাই। পরে ভাবলাম এটা খুবই ভালো একটা কাজ হতে যাচ্ছে। আমি রাজি হয়ে যাই।’

দীঘি মনে করেন এই চলচ্চিত্র সবার দেখা উচিত। কেননা বাংলাদেশে সাহিত্যনির্ভর কাজ এখন খুবই কম হয়। তার ভাষ্য, ‘এটি একটি সাহিত্যনির্ভর কাজ। খুবই চমৎকারভাবে গল্পটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাধারণত যেসব সিনেমা আমরা দেখি কিংবা দর্শকরা দেখে, এটা তার চেয়ে আলাদা কাজ। তাই দর্শকদের মনে গল্পটা দোলা দিয়ে যাবে।’

লেখক সম্পর্কে দীঘি বলেন, ‘আগেই বলেছি ইমদাদুল হক মিলন আমার খুবই প্রিয় একজন লেখক। আমি যখন স্কুলের পড়ার বাইরে গল্প উপন্যাস পড়া শুরু করি, তখন তার বই পড়েছি। তাই এমন একজন লেখকের গল্পের চরিত্র হব, এটা ভাবতেই এক ধরনের নার্ভাসনেস কাজ করছিল। একইসঙ্গে এক ধরনের উত্তেজনাও কাজ করছিল। এটা আসলে আমার পক্ষে ব্যাখ্যা করা সম্ভব না। আমার ক্যারিয়ারের প্রাপ্তির একটা অংশ এটা। ২০২২ সালে সিনেমার কাজ শুরু হয়। তখন থেকেই গল্পের ভেতরে ছিলাম আমি।’

গাজী আব্দুন নুরের সঙ্গে প্রথমবার স্ক্রিন শেয়ার করলেন দীঘি। এই অভিজ্ঞতাও চমৎকার। দীঘি বলছেন, ‘নুর ভাইয়ার সঙ্গে পূর্বে কাজের অভিজ্ঞতা আমার ছিল না। কাজ করতে গিয়ে তার সঙ্গে পরিচয়। তিনি অনেক কো-অপারেটিভ এবং সাপোর্টিভ। ফলে এখানে জুটিটা বেশ ভালোভাবে জমে উঠেছে।’

চলচ্চিত্রের বাইরে দীঘি ওটিটিতে কাজ করেন। এর আগে কয়েকটি কাজ করেছেন। তবে ভালোবাসা দিবসে গাঁইয়া নামের নতুন একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন। দীঘি মনে করেন ওটিটিতে কাজ করা একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়, সেখানে অভিনয় দেখানোর কিংবা অভিনয়শৈলীর একটা বড় জায়গা রয়েছে। দীঘি বলেন, ‘আমি ওটিটিতে কাজ করে বেশ আনন্দ পাই। কারণ এখানে অভিনয়টা করা যায় একইসঙ্গে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ কাজ করে। ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই। এই জায়গাটায় আমি নিয়মিত থাকব। গাঁইয়া ওয়েব ফিল্ম মুক্তির পর এখন পর্যন্ত সব ইতিবাচক রিভিউ পেয়েছি। এটা একটা স্বস্তির বিষয়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত