প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র পাপুয়া নিউ গিনির প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে হামলা ও সহিংসতায় অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম পোস্ট-কুরিয়ারের বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা ও বিবিসি।
স্থানীয় সময় রবিবার ভোরে এনগা প্রদেশের ওয়াপেনামান্দা এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানায় জাতীয় পুলিশের একজন মুখপাত্র। উপজাতীয় বিরোধের জেরে নিহতদের গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
এ হামলায় অ্যাম্বুলিন ও সিকিন উপজাতি এবং তাদের মিত্ররা জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানী পোর্ট মোরেসবির প্রায় ৬০০ কিলোমিটার (৩৭৩ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে ওয়াবাগ শহরের কাছে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ সংগ্রহ করতে শুরু করেছে। সোমবার সকাল নাগাদ পুলিশ রাস্তার ধার, মাঠ এবং ওয়াপেনামান্দার পাহাড় থেকে প্রায় ৬৪টি মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই অতর্কিত হামলা গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বলে মনে করা হচ্ছে।
রয়্যাল পাপুয়া নিউ গিনি কনস্ট্যাবুলারির ভারপ্রাপ্ত সুপার জর্জ কাকাসের বরাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এবিসি) বলছে, ‘এনগাতে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা। এর আগে এমন ঘটনা দেখা যায়নি’।
বিরোধী দলগুলো প্রায়শই হামলার ক্ষেত্রে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বন্দুক যেমন একে৪৭ এবং এম৪ রাইফেল ব্যবহার করে থাকে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদপত্র পোস্ট-কুরিয়ার।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে যে, সামরিক বাহিনী এই এলাকায় প্রায় ১০০ সৈন্য মোতায়েন করেছে কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয় এবং তাদের কাছে অস্ত্রও সীমিত।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সোমবার এক রেডিও সাক্ষাৎকারে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রোজার আগে জিম্মি মুক্তি না দিলে রাফাহতে আক্রমণের হুমকি ইসরায়েলের