পাকিস্তানকে অর্থ সহায়তা না দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে চিঠি লিখিছিলেন দেশটির কারাবন্দি নেতা ইমরান খান। তবে সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে আইএমএফ। সংস্থাটি জানিয়েছে, পাকিস্তানের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় তারা। খবর জিও নিউজ ও পাকিস্তান ট্রিবিউনের।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্কে আইএমএফের সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির কমিউনিকেশনস বিভাগের পরিচালক জুলি কোজাক বলেন, শিগগিরই পাকিস্তানকে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ১৯০ কোটি ডলার দেওয়া হবে। গত ১১ জানুয়ারি পাক সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়েছে।
জুলি কোজাক বলেন, পাক সরকার তাদের অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে এবং সবচেয়ে দরিদ্রদের সুরক্ষা নিশ্চিতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলো আইএমএফ সমর্থন করে। দেশটির প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো। দেশটির সরকার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।
এর আগে পাকিস্তানের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে আইএমএফকে চিঠি দেওয়ার কথা জানান ইমরান খান। রবিবার আদিয়ালা কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করে পিটিআই মুখপাত্র আলী জাফর বলেন, আইএমএফ বা বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাগুলো অগণতান্ত্রিক দেশে ঋণ সহযোগিতা দেয় না। পাকিস্তানে যে নির্বাচন হয়েছে, তা একটি কারচুপির নির্বাচন এবং অগণতান্ত্রিক শক্তি দেশে ক্ষমতাসীন হয়েছে। এ কারণে ঋণের কিস্তি স্থগিত করার আর্জি জানিয়ে আইএমএফকে চিঠি দেবেন ইমরান খান।
জুলি কোজাককে নির্বাচনে কারচুপির যে অভিযোগ ইমরান খান তুলেছেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, চলমান কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি মন্তব্য করব না।
