বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে চা-বাগানে, এসেছে নতুন কুঁড়ি

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০৯ পিএম

দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির পর কয়েক দিন আগে প্রাণ ফিরেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের চা বাগানগুলোতে। বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে লাগিয়ে দুটি পাতার একটি কুঁড়িতে ভরে উঠেছে চা গাছগুলো। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কয়েকটি চা বাগান ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেল। এতে হাসি ফুটেছে চা বাগান সংশ্লিষ্টদের মুখে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ডিসেম্বরে শেষের দিকে চা গাছগুলো ছাঁটাই করা হয়। ছাঁটাই করার পর সবুজ সতেজ গাছগুলো শুধু ডালে রূপ নেয়। তখন থেকে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত গাছগুলো এমনি থাকে। তাই চা বাগান সংশ্লিষ্টরা বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকেন।

গত কয়েকদিনের হালকা বৃষ্টিতে ছাঁটাই করা গাছগুলোয় নতুন কুঁড়ি বের হয়েছে। কচি-কচি সবুজ পাতায় চা বাগানগুলো ফিরে পেয়েছে আপন সৌন্দর্য।
 
চা বাগান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চা বাগানের জন্য বৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। চা গাছ ছাঁটাইয়ের পর বাগানে বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করা হয়। বৃষ্টি না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে চা বাগানে পানি দিতে হয়। সামান্য বৃষ্টির ফলে চা গাছগুলো সজীবতা ফিরে পেয়েছে।
 
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক আনিসুর রহমান বলেন,  বৃষ্টি জমাটবদ্ধতার পরিমাপের গাণিতিক একক হিসেবে সম্প্রতি (৫ দিন) বৃহত্তর সিলেটে বৃষ্টিপাত হয়েছে ১০৪ দশমিক ১ মিলিমিটার। চায়ের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত শ্রীমঙ্গলে ২১ থেকে ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি মোট বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ৭৩ মিলিমিটার।’

বাংলাদেশীয় চা সংসদের (বিসিএস) সিলেট ব্রাঞ্চ চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বলেন, আমরাও বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিলাম। বৃষ্টিপাত চা গাছের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষত ‘ইয়াং টি’ মানে নতুন চা গাছগুলোর জন্য বেশি উপকার হয়। তারপর প্রুনিং করা চা গাছগুলো দ্রুত কুঁড়ি ছাড়বে। ইতোমধ্যে চা গাছগুলো কুঁড়ি ছাড়তে শুরু করে দিয়েছে। আমরা তাড়াতাড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণে যেতে পারব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত