প্রতিপক্ষ হিসেবে ফিলিস্তিন বেশ শক্তিশালী। শক্তিশালী তাদের আক্রমণভাগও। সেই দলে আছেন সামেহ মারাবা, তামের সেয়াম, ওদে দাব্বাঘের মতো খেলোয়াড়েরা। বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা জানেন তা। দেশে থাকতেই ফিলিস্তিনের আক্রমণভাগ নিয়ে কথা বলেছেন। এবার তা সামলাতে তিনি নজর দিচ্ছেন বাংলাদেশের রক্ষণের দিকে। সৌদি আরবের কিং ফাহাদ স্পোর্টস সিটি গ্রাউন্ডে তৃতীয় দিনের অনুশীলনে এ নিয়ে কথা বলেছেন স্প্যানিশ কোচ।
কাবরেরা জানান, ‘সবকিছুই খুব ইতিবাচকভাবে চলছে। দলও সবকিছুর সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নিচ্ছে, যেমনটা প্রত্যাশা করেছিলাম আমরা। ফিলিস্তিনের আক্রমণভাগ সামলাতে আজ (কাল) আমরা বিশেষ করে রক্ষণ নিয়ে কাজ করেছি। আক্রমণ প্রতিহত করা নিয়ে কাজ করেছি। প্রথম সপ্তাহের জন্য আমাদের যে পরিকল্পনা, তাতে আমি ভীষণ খুশি।’
গত বছর বিমানবন্দরের সেই আলোচিত ‘মদকাণ্ডে’র পর থেকে জিকোর বদলে দেশের গোলপোস্ট সামলে আসছেন মিতুল মারমা। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। ফিলিস্তিন ম্যাচে রক্ষণভাগের সঙ্গে গোলরক্ষককেও দিতে হবে অগ্নিপরীক্ষা।
এ দায়িত্ব পালন করবেন- জিকো, মিতুল, মেহেদী হাসান শ্রাবন- এই তিনজনের মধ্যে যে কেউ। তার আগে গোলকিপার কোচ মিগেল আনহেল আনিদোর অধীনে অনুশীলনে ঘাম ঝড়াচ্ছেন প্রত্যেকেই। প্রতিযোগিতাও চলছে ইতিবাচবভাবে।
ভিডিও বার্তায় মিতুল জানান, ‘আমরা এখানে অনুশীলন অনেক উপভোগ করছি। কোচ নতুন নতুন টেকনিক নিয়ে কাজ করছে। আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি এবং সবকিছু উপভোগ করছি। জাতীয় দলে সব পজিশন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, এখানেও লড়াইটা বেশি। সবশেষ যে ম্যাচগুলোয় আমি খেলেছি, সে সময় জিকো ভাই ছিলেন না। উনি ফিরেছেন। সে হিসেবে এখানে আমাদের সামনে অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আমি চেষ্টা করব, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে টিমে জায়গা করে নেওয়ার।’
