'গ্যাস সরবরাহ না বাড়ালে ঈদে শিল্পকর্মীদের বেতন-ভাতা দেওয়া কঠিন হবে'- আজ বুধবার পেট্রোবাংলার গণশুনানিতে এমন কথা বলেন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্তারা। শুনানিতে বক্তারা গ্যাস সংকট ঠিক কবে দূর হবে তার নিশ্চয়তা চান ৷ তারা বলেন, গ্যাস যেটুকু ঘাটতি, সেটি যেন সবার ওপর সমানভাবে ভাগ করা হয়। কোনো এলাকায় বেশি, কোনো এলাকায় কম দেওয়া হচ্ছে। এখান থেকে বের হয়ে আসা উচিত।
গাজী গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আলমগীর আকন্দ বলেন, গ্যাসের সরবরাহ না বাড়ালে খুবই সংকটে পড়ব। উৎপাদন করতে না পারলে আগামী ঈদে বেতন, বোনাস দিতে পারব না।
আকবর কটন মিলস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) বলেন, গ্যাসের অভাবে দিনের বেলা বসে থাকতে হয়। রাতে কারখানায় কাজ চলে। ভালুকা অঞ্চলে দেড়মাস ধরে এই অবস্থা! এভাবে চললে ঈদে বেতন, বোনাস দেওয়া কঠিন হবে।
স্কয়ার ফ্যাশনের কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসাইন বলেন, তাদের চাপ ৫০ পিএসআই পাওয়ার কথা। ধনুয়া থেকে দেওয়া হয় ৩৫ পিএসআই। ৪০ দেওয়া হলে অন্তত ৬০ শতাংশ লোডে জেনারেটর চালানো সম্ভব হতো।
উদ্বোধনী বক্তব্যে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, সেবার উন্নয়ন ঘটানো। ভোক্তা ও ট্রেডবডির সঙ্গে ঘন ঘন বসতে পারলে কাজটি সহজ হবে।
তিনি আরো বলেন, দেশের প্রকৃতপক্ষে উন্নয়ন ও জিডিপির গতি ধরে রাখতে হলে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
গণশুনানিতে আরও বক্তব্য রাখেন জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) মো. আলতাফ হোসেন প্রমুখ৷
রোজায় ৯ পণ্যের দাম বাড়বে না আমিরাতে
কর্মমুখী শিক্ষা নিয়ে কাজ করবে বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক