দেশ রূপান্তরের শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা প্রতিনিধি শফিউজ্জামান রানাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেলে দেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ, তীব্রনিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি এবং ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ইউএনওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন নোয়াখালী জেলার সাংবাদিক নেতারা।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি বখতিয়ার শিকদার বলেন, সাংবাদিকতাকে নিষ্পেষিত করার জন্য এমন কাজ করা হয়েছে। এটা বিচার চাইতে গিয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মত হয়ে গেল। এমন হলেতো হবে না। এ বিষয়ে আমি ন্যায় বিচার ও সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।
নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের মঞ্জু বলেন, দেশের নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার রয়েছে, দেশে আইনও করে দেয়া হয়েছে তথ্য কীভাবে জানবেন। গণমাধ্যমকর্মীরা রাষ্ট্রীয় আইন মেনে যদি তথ্য চায় সেখানে তথ্য না দিয়ে সাজার নামে হেনস্তা করা মুক্ত সাংবাদিকতার প্রতি বড় ধরনের হুমকি বলে মনে করি।
তিনি বলেন, যে কর্মকর্তা এই কাজ করেছেন, তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। একই সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালত যেহেতু এই শাস্তি দিয়েছে, আইনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে সাংবাদিক রানার দ্রুত নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
ইয়ুথ জার্নালিস্ট ফোরাম, নোয়াখালীর সভাপতি ফয়জুল ইসলাম জাহান বলেন, আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেখানে একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেলে দেন? নিশ্চয়ই তিনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়েই সাংবাদিককে হয়রানি করার জন্য করেছেন। আমি মনে করি, আইনটাকে তিনি নিজের হাতে অপব্যবহার করেছেন। আমি এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানাই এবং সাংবাদিক রানার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।
