২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রসঙ্গটা যতবার আসবে, ততবার মনে পড়বে ফ্রান্সের সাবেক অধিনায়ক জিনেদিন জিদানকে। ঐ ম্যাচেই যে ইতালিয়ান ফুটবলার মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুস মেরেছিলেন ফরাসি কিংবদন্তী। সেই ঢুস-কাণ্ড ১৮ বছর পর দেখা গেল ইতালিয়ান ফুটবলে। যা ঘটেছে গতকাল রবিবার রাতে।
লেচ্চের মাঠ কমুনেল ভিয়া দেল মারেতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১–০ গোলের জয় পেয়েছে হেল্লাস ভেরোনা। ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে লেচ্চে ডিফেন্ডার মারিন পনগ্রাচিচের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান ভেরোনা স্ট্রাইকার টমাস হেনরি। এ সময় লেচ্চে কোচ রবার্তো ডি’ভার্সা গিয়ে তাদের বাদানুবাদে ঢুকে যান। কিন্তু তিনি পরিস্থিতি শান্ত করবেন কি, উল্টো হেনরিকে মাথা দিয়ে ঢুস মেরে বসেন! স্বাভাবিকভাবে দুজনেই দেখেছেন লাল কার্ড।
এমন কাণ্ড ঘটানোর পর অবশ্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন লেচ্চে কোচ রবার্তো ডি’ভার্সা। নিজ আচরণের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘আগামী শনিবার আমাদের একটি বড় ম্যাচ (সালেনিতানার বিপক্ষে) আছে। আমি চাইনি আমার কোনো খেলোয়াড় নিষিদ্ধ হোক। সে জন্য দুজনের কথা-কাটাকাটিতে হস্তক্ষেপ করেছিলাম।’
তাহলে হেনরিকে মাথা দিয়ে ঢুস মারলেন কেন? লেচ্চে কোচ এর সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। তবে সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজ আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ডি’ভার্সা, ‘আমি তাদের বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছিলাম এবং তারপর হেনরির সঙ্গে ঘটনাটা ঘটল। ভেরোনার ম্যানেজমেন্টের কাছে আমি এর মধ্যেই ক্ষমা চেয়েছি। একজন কোচ এবং তিন সন্তানের বাবা হিসেবে যা ঘটেছে সে জন্য ক্ষমা চাচ্ছি আমি।’
যদিও ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ডি’ভার্সা দাবি করেন, হেনরিকে তিনি মাথা দিয়ে গুঁতো মারেননি। তিনি লিখেছেন, ‘হেনরির সঙ্গে মাথায় মাথায় মুখোমুখি হয়েছিলাম। কিন্তু ঢুস মারিনি। সে-ও আমাকে ঢুস দেয়নি। এখানে শারীরিক সংস্পর্শের ব্যাপার ছিল না।’
অবশ্য ইনস্টাগ্রাম পোস্টেও ম্যাচের মেজাজ ধরে রাখতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন ডি’ভার্সা।
