ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজাতে খাদ্য সংকটে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভিক্ষ। যার কারণে ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে ইসরায়েল।
এমন অবস্থায় গাজাতে বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে ত্রাণের বন্যা বইয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ড্যানিয়েল হ্যাগারি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বলে পৃথক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আল জাজিরা এবং বিবিসি।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা গাজায় ত্রাণের বন্যা বইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি, মানবিক সহায়তা দিয়ে প্লাবিত করার চেষ্টা করছি।‘
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিখছি এবং উন্নতি করছি এবং বিভিন্ন পরিবর্তন করছি যাতে একটি বৈচিত্র্য তৈরি করতে পারি।’
গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ প্রকট। এই অঞ্চলে অনাহারে একের পর এক মারা যাচ্ছে নিরীহ শিশুরা। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, অন্তত ছয়টি ত্রাণবাহী লরি নিরাপত্তা বেষ্টনির ৯৬তম গেট দিয়ে গাজা ভূখণ্ডের উত্তরে প্রবেশ করেছে।
এদিকে হাগারি বলছেন, এ ধরনের আরও ত্রাণবহর যাবে এবং অন্য পয়েন্টগুলো দিয়ে আরও সরবরাহ প্রবেশ করবে। পাশাপাশি উড়োজাহাজ থেকে ত্রাণের প্যাকেজ ফেলা ও সাগরপথে জাহাজ ভর্তি ত্রাণ আসাও চলতে থাকবে।
যুদ্ধের পর থেকে অবরুদ্ধ গাজায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সরবরাহ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এমনকি রাফাহ ক্রসিংও নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েলি সেনারা। এমন পরিস্থিতিতে গাজার বাসিন্দারা দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে আছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো। অনাহারে, অপুষ্টি ও পানিশূন্যতায় অনেকের মৃত্যু হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে গাজায় ত্রাণের বন্যা বইয়ে দেওয়ার মন্তব্য করল দেশটি।
গাজায় ত্রাণ নিতে এসে ইসরায়েলি হামলায় ৬ ফিলিস্তিনি নিহত
মনোনয়ন চূড়ান্ত, এবারও ট্রাম্প-বাইডেনের লড়াই